আজ একটি কথা যা না বলেই নয় আজ বাংলাদেশের যে কোন স্বীকৃত রাজনৈতিক দল
বি,এন,পি আওয়াঃলীগ ,জামাত-শিবির জাতীয় পার্টি ইত্যাদী দল রাস্তা অবরোধ করে
মিছিল মিটিং যা কিছু করে তার সেখানে ভাঙচুর বুমাবাজী ,লাঠি বাজী ইট-পাটকেল
ভাঙ্গা-চুরা যা কিছু হয় সেটা হয়ে যায় রাজনৈতিক সহিংসতা আর সাধারন কিছু
মাদরাসা বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া টুপি-দাড়ি ওয়ালা ছাত্রগন যদি মিছিল মিটিং
সমাবেশ করেন তাহলে হয়ে যায় জঙ্গি মিছিল ,জঙ্গিদের উত্থান জংগী সমাবেশ !!!
আশ্চর্য !!! অবাক লাগে বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে ।তাদের রাজনীতির স্বার্থের
জন্য সারা দেশটা হরতাল ভাংচুর বুমাবাজী খুন চাদা টেন্ডারবাজী ঘুম-হত্যা
ধর্ষণ অপহরণ চুরি-ডাকাতি করে সারা বিশ্বের দরবারে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের
খেতাব লাভ করে রসাতলে নিয়ে যাচ্চে সোনারবাংলাকে তা কিছু হয় না অথচ তাদের এই সব টুপি ওয়ালা দাড়ি ওয়ালা লোগ গুলুকে এত কিসের ভয় ??
আর আমাদের ঘাদানিক নেতা জনাব শাহরিয়ার কবীর ওরফে (৭১এর মুরগী সাপ্লায়ার চোর )সে নাকি সন্ধান পেয়েছেন কয়েকটি ইসলামী সংগঠনের সাথে আল কায়দার নেটওয়ার্কের যোগাযোগ আছে !! আর সে তার একটা শ্বে্তপত্র প্রকাশ করবে কয়েক দিনের মাঝে ।আমার ভাবতে অবাক লাগে যে বাংলাদেশের কোন ইসলামী সংগঠনের যোগাযোগ যদি আল কায়দার নেটওয়ার্কের সাথে থাকত আর বাংলাদেশের আইন-শৃংখলার যে অবস্থা গুয়েন্দার নজর সব কিছুতে একেবারে ০০% (!!) তাহলে এতদিন কোন কোন বড় ধরনের কিছু একটা হয়ে যেত । কিন্তু এটা হয়নি বা হবে না কারন এদেশের কার যোগাযোগ আল কায়দার নেটওয়ার্কের সাথে নাই এটা হলফ করেই বলতে পারি ।
শাহরিয়ার খবিস কে বলব মিয়া চুপ হয়ে যান এখনও সময় আছে আর কান চোখ খুলে অন্তর থেকে জেনে নেন
একথা একবার নয় , বার বার বলা হচ্ছে — হেফাজতে ইসলাম জামাতের ক্রীড়নক !! কেনো বলা হচ্ছে ? কারা বলছে ?? একথা দ্বারা কী বুঝাতে চায় ?? কী-ই-বা তাদের উদ্দেশ্য ?
তারা বুঝাতে চায় হক্কানি আলেমরা তো দরিদ্র ! আন্দোলন করার মতো কী সামর্থ তাদের আছে ? তাই জামাত তাদেরকে পয়সা দিয়ে মাঠে নামিয়েছে ! যুদ্ধাপরাধীর বিচার ঠেকানোর জন্যে !!
যদি এ-ই তাদের কথা হয় , তা হলে তাদের উদ্দেশে বলতে চাই — ইতিহাস ঘাটাঘাটি করে দেখ , দেখবে হক্কানি আলেমগণ কাদের উত্তরসুরী , হক্কানি আলেমগণ সে ধনাঢ্যদুলাল উসমান গনির উত্তরসূরী , তাঁদের পূর্বসূরী সে আব্দুররহমান বিন আউফ , যাঁর ত্যাজ্যসম্পত্তি শুধু সোনা কাটতে কাটতে হাতে দাগ পড়ে গিয়ে ছিলো ! ইমাম মালিক যিনি প্রতিদিন একটি করে নতুন কাপড় পরতেন আর ব্যবহৃত্টি দান করতেন , ইমাম আবু হানিফা যিনি কুফায় থাকাকালেও বাগদাদ থেকে কাপড় ইস্ত্রি দিয়ে আনাতেন ! তাঁরা এঁদেরই উত্তরসুরী !! জাফর থানেশ্বরি যাঁর আস্তাবলে ছিলো শহরের সর্বোত্তম ঘোড়া , অত্যধিক সৌখিনতার দরুন লোকে তাঁকে ফুলবাবু বলে ডাকত ! যেই মাত্র ইংরেজরা এদেশকে খাবলে খাওয়া শুরু করল , লাথি মারলেন সব বাবুগিরিকে । নেমে গেলেন প্রতিরোধে , শাস্তিস্বরূপ নির্বাসিত হলেন কালাপানি আন্দামান দ্বীপে !! তবুও মেনে নেননি পরাধীনতা ?
ঢাকা থেকে লাহোর পর্যন্ত রাস্তার পাশে সারিবদ্ধ প্রতিটি বৃক্ষকে জিজ্ঞেস করো —তাদের ডালে কোন অপরাধে কাদের লাশ ঝুলানো হয়ে ছিলো ? জবাব— আলেমদের ! অপরাধ — আযাদীর কথা বলা !
জিজ্ঞেস করো উপমহাদেশের বাতাসকে , সে কাদের পোড়া লাশের গন্ধ নিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে ? আলেমদের ! আযাদীর কথা বলার অপরাধে পুড়িয়ে দেওয়া চল্লিশ আলেমের লাশের গন্ধ এখনও নাক বাড়ালে শুঁকা যায় ! একমাত্র আযাদীর জন্যেই একান্ন হাজার আলেম ফাসির কাষ্ঠে ঝুললেন । তখন থেকেই শুরু হলো আলেমদের বর্তমান অবস্থা । আলেমবিহীন জাতি যখন দিশেহারা তখন তাদেরকে নামায-রোযা শিক্ষা দেওয়ার জন্যে জ্ঞানার্জনে নামলেন জমিদারপুত্র আশরাফ আলী থানবিসহ অসংখ্য ধনীর দুলালরা , থু ...দিলেন ইংরেজপ্রদত্ত উপাধি ও পদবিকে ।
তাই এসব জ্ঞানপাপীদের বলতে চাই , আজ যদি আলেমরা তোমাদের মতো স্যার- খানবাহাদুর উপাধি নিতেন , টাকায় আদর্শ বদলাতেন , কয়েকচুমুক লাল পানি দেখে রসনা বাড়াতেন , ক্ষমতাবদ্লের সাথে সাথে চেহারা পাল্টাতেন !!তাহলে তোমরা কীভাবে দ্বীন শিখতে ? কীভাবে জানতে মা-মেয়েকে বিয়ে করা হারাম? কীভাবে রাজীবকে দাফন দিতে? তোমাদের কল্যাণের জন্যেই আলেমদের এ অবস্থা । আজ তোমরা নাকি বড়ো গলায় বল এসব !! আলেমগণতো তোমাদের মতিয়া-ইনুর মতো কোনোদিন মুজিববিরোধী কোনোদিন মুজিবপ্রেমী হয়ে স্বীয় আদর্শকে জলাঞ্জলি দেন নি . ! আলেমগণ মাথা দিয়েছেন তবু দেন নি আমামা । চরম কঠিন মুহূর্তেও দেশপ্রেমের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন এই আলেমরাই !! টিপাইমুখবাধ আন্দোলন যার জ্বলন্ত প্রমাণ । মোনাফেকি আর বাটপাড়ি এটা তোদেরই খাসলত । তাই খামুশ ! আর একটিও কটুক্তি করবে না !
আরে এরা হল ইসলামী ছিন্তাইবীদ যার নিজের খবর নাই হেও ইসলাম লইয়া মাতাব্বরী করে। এদেরকেই বলে 'আদার বেপারী জাহাজের খবর লয়'।
তুমি তোমার আদা লইয়া যা ইচ্ছা মনে করতে থাকো, তবে ইসলামরে তোমার বেপারীপট্টির আদা মনে কইরো না। ।বিনা দলীলে ও বিনা শর্তে পন্নী একজন ভণ্ড।আবার আসছ ইসলামকে হেফাজত করতে!!! এই সব নাস্তিক ল্যাপ্টিস্টদের ও তাদের দালালদেরকে ধরে পল্টন ময়দানে উক্তা কইরা পুইতা রাখা উচিত তাহলে সাধারন জনগণ ইসলামকে অবিকৃতি অবস্থায় পাবে ।
আর এই সব নাস্তিক-মুরতাদরা ক্ষমতার মসনদে বসে দাদাগুর দয়ায় ,>আশ্চর্য ব্যপার! আবার দেখি ব্যুট্ডে-স্যুটেড, চুজপ্যান্টি "খাড়ামুতোনী"রা দাদাগুর দয়ায় ইসলামে হক-বাতিল আর জান্নাত-জাহান্নামের ডিলারশীফ নিয়ে বসে আছে।
করুণা হয় তোমাদের জন্য। বেশী বুঝতে যাইয়া নেড়ি কুত্তার অনুসারীদেরকে অবশেষে "কেবলা বাবা" বানাও।
ধিক, শত ধিক এসব অপব্যখ্যাকারী "নেড়ীমুতুরা"দের। এরা চিন্তাবীদ নয়, বরং ইসলামী ছিনতাইবীদ। অতএব এদের গণপিটুনী দেওয়া দরকার।
রাজনীতি অঙ্গনে সে যেই হোক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য সবাই একটা নীতি অবলম্বন করে তা হল এক চোখা নীতি !হা ২/৩ দিন আগে দেখলাম প্রধানমন্ত্রী তিনিও হেফাজতের শাপলা চত্বরে শিশুদের নিয়ে কথা বলতে অথচ তিনি কি শাহবাগের গনজাগরন মঞ্চের শিশুদের কি দেখেন নাই ? না ঐ সব ফুটেজ দেখার সময় চোখ গুড়িয়ে নেন ?কোনো প্রধানমন্ত্রীই দলের বা বিশেষ কোনো মতের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে পারেন না। কারণ দলের পরিচয়ে নির্বাচিত হলেও শপথ গ্রহণের পর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। দলমত নির্বিশেষে দেশ-জাতি-জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই তার পবিত্র দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দলের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি। ফলে তার সরকার জনগণের সরকার না হয়ে দলের সরকারে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কথা ও কাজে এমন সঙ্কীর্ণতা অহরহই প্রকট হয়ে ওঠে।
এক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মসজিদ-মাদরাসায় নজরদারি বাড়াতে বলেছেন। কিছুদিন আগে শাপলা চত্বরে ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে আসার উল্লেখ করে এ ধরনের দুষ্ট কাজে মাদরাসার শিশুদের যাতে কেউ ব্যবহার করতে না পারে সে বিষয়টাও গুরুত্ব পেয়েছে তার বক্তব্যে। অথচ প্রায় একই সময়ে শাহবাগের কর্মসূচিতে বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেনের ও স্কুলের ছোট ছোট ছেলেমেয়ের স্কুল ড্রেস পরা অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে তাদের কচিমুখে ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগানও শোনা গেছে। যা মিডিয়া ঢালাওভাবে প্রচারও করেছে। এসব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মুখে রা কাটেননি। কেন? দিনের পর দিন শিশুদের এমনভাবে ব্যবহার করা তিনি কীভাবে সমর্থন করেন? শুধু তাই নয়, শাহবাগের সসমর্থনে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরকার সমর্থকদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশগুলোতেও স্কুলের শিশু-কিশোরদের প্রাধান্য দেখা গেছে। স্কুল থেকে তাদের নিয়ে আসার বিশেষ ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এমনকি, ডিসি কার্যালয় থেকেও স্কুল কর্তৃপক্ষকে চাপ দেয়ার কথা তখন জানাজানি হয়েছে। কারণ সরকারদলীয় এমপি-ডিসিরাই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রধান। তাদের মতের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই স্কুল কর্তৃপক্ষের। তাই সে সময় দেশজুড়ে শাহবাগের সমর্থনে অনুষ্ঠিত সভা-সমাবেশ-মিছিল ব্যাপকভাবে স্কুলের শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলব আপনি মসজিদ-মাদরাসায় নজরদারি বাড়াবার কথা বলেছে্ন !!! অথচ দেশের সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি- টেন্ডারবাজি-সন্ত্রাসের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তা নিয়ে কিছুটি বলেননি। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অরাজক-বিশৃঙ্খল অবস্থার সচিত্র খবর পত্রপত্রিকায় ছাপা হলেও সেদিকে না তাকিয়ে তিনি মসজিদ-মাদরাসার ওপরই তার শ্যেন দৃষ্টি ফেলেছেন। শাহবাগের শিশুদের উপস্থিতি ভুলে গিয়ে শাপলা চত্বরের শিশুদের জন্য তার দরদ উথলে উঠেছে। এতই যদি দরদ তবে বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন করে রাতের আঁধারে সেই শিশুদের ওপরই সরকারি বাহিনীর সশস্ত্র সদস্যদের ঝাঁপিয়ে পড়া তিনি অনুমোদন করলেন কীভাবে?
সবার অধিকার সমানভাবে রক্ষা করাই গণতান্ত্রিক শাসনের পরিচয়। সব শিশুই এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে। কোনো বিষয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীর একচোখা ভূমিকা আর যাই হোক গণতান্ত্রিক বলা যাবে না, এটা নতুন করে না বললেও চলে।
আর আমাদের ঘাদানিক নেতা জনাব শাহরিয়ার কবীর ওরফে (৭১এর মুরগী সাপ্লায়ার চোর )সে নাকি সন্ধান পেয়েছেন কয়েকটি ইসলামী সংগঠনের সাথে আল কায়দার নেটওয়ার্কের যোগাযোগ আছে !! আর সে তার একটা শ্বে্তপত্র প্রকাশ করবে কয়েক দিনের মাঝে ।আমার ভাবতে অবাক লাগে যে বাংলাদেশের কোন ইসলামী সংগঠনের যোগাযোগ যদি আল কায়দার নেটওয়ার্কের সাথে থাকত আর বাংলাদেশের আইন-শৃংখলার যে অবস্থা গুয়েন্দার নজর সব কিছুতে একেবারে ০০% (!!) তাহলে এতদিন কোন কোন বড় ধরনের কিছু একটা হয়ে যেত । কিন্তু এটা হয়নি বা হবে না কারন এদেশের কার যোগাযোগ আল কায়দার নেটওয়ার্কের সাথে নাই এটা হলফ করেই বলতে পারি ।
শাহরিয়ার খবিস কে বলব মিয়া চুপ হয়ে যান এখনও সময় আছে আর কান চোখ খুলে অন্তর থেকে জেনে নেন
একথা একবার নয় , বার বার বলা হচ্ছে — হেফাজতে ইসলাম জামাতের ক্রীড়নক !! কেনো বলা হচ্ছে ? কারা বলছে ?? একথা দ্বারা কী বুঝাতে চায় ?? কী-ই-বা তাদের উদ্দেশ্য ?
তারা বুঝাতে চায় হক্কানি আলেমরা তো দরিদ্র ! আন্দোলন করার মতো কী সামর্থ তাদের আছে ? তাই জামাত তাদেরকে পয়সা দিয়ে মাঠে নামিয়েছে ! যুদ্ধাপরাধীর বিচার ঠেকানোর জন্যে !!
যদি এ-ই তাদের কথা হয় , তা হলে তাদের উদ্দেশে বলতে চাই — ইতিহাস ঘাটাঘাটি করে দেখ , দেখবে হক্কানি আলেমগণ কাদের উত্তরসুরী , হক্কানি আলেমগণ সে ধনাঢ্যদুলাল উসমান গনির উত্তরসূরী , তাঁদের পূর্বসূরী সে আব্দুররহমান বিন আউফ , যাঁর ত্যাজ্যসম্পত্তি শুধু সোনা কাটতে কাটতে হাতে দাগ পড়ে গিয়ে ছিলো ! ইমাম মালিক যিনি প্রতিদিন একটি করে নতুন কাপড় পরতেন আর ব্যবহৃত্টি দান করতেন , ইমাম আবু হানিফা যিনি কুফায় থাকাকালেও বাগদাদ থেকে কাপড় ইস্ত্রি দিয়ে আনাতেন ! তাঁরা এঁদেরই উত্তরসুরী !! জাফর থানেশ্বরি যাঁর আস্তাবলে ছিলো শহরের সর্বোত্তম ঘোড়া , অত্যধিক সৌখিনতার দরুন লোকে তাঁকে ফুলবাবু বলে ডাকত ! যেই মাত্র ইংরেজরা এদেশকে খাবলে খাওয়া শুরু করল , লাথি মারলেন সব বাবুগিরিকে । নেমে গেলেন প্রতিরোধে , শাস্তিস্বরূপ নির্বাসিত হলেন কালাপানি আন্দামান দ্বীপে !! তবুও মেনে নেননি পরাধীনতা ?
ঢাকা থেকে লাহোর পর্যন্ত রাস্তার পাশে সারিবদ্ধ প্রতিটি বৃক্ষকে জিজ্ঞেস করো —তাদের ডালে কোন অপরাধে কাদের লাশ ঝুলানো হয়ে ছিলো ? জবাব— আলেমদের ! অপরাধ — আযাদীর কথা বলা !
জিজ্ঞেস করো উপমহাদেশের বাতাসকে , সে কাদের পোড়া লাশের গন্ধ নিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে ? আলেমদের ! আযাদীর কথা বলার অপরাধে পুড়িয়ে দেওয়া চল্লিশ আলেমের লাশের গন্ধ এখনও নাক বাড়ালে শুঁকা যায় ! একমাত্র আযাদীর জন্যেই একান্ন হাজার আলেম ফাসির কাষ্ঠে ঝুললেন । তখন থেকেই শুরু হলো আলেমদের বর্তমান অবস্থা । আলেমবিহীন জাতি যখন দিশেহারা তখন তাদেরকে নামায-রোযা শিক্ষা দেওয়ার জন্যে জ্ঞানার্জনে নামলেন জমিদারপুত্র আশরাফ আলী থানবিসহ অসংখ্য ধনীর দুলালরা , থু ...দিলেন ইংরেজপ্রদত্ত উপাধি ও পদবিকে ।
তাই এসব জ্ঞানপাপীদের বলতে চাই , আজ যদি আলেমরা তোমাদের মতো স্যার- খানবাহাদুর উপাধি নিতেন , টাকায় আদর্শ বদলাতেন , কয়েকচুমুক লাল পানি দেখে রসনা বাড়াতেন , ক্ষমতাবদ্লের সাথে সাথে চেহারা পাল্টাতেন !!তাহলে তোমরা কীভাবে দ্বীন শিখতে ? কীভাবে জানতে মা-মেয়েকে বিয়ে করা হারাম? কীভাবে রাজীবকে দাফন দিতে? তোমাদের কল্যাণের জন্যেই আলেমদের এ অবস্থা । আজ তোমরা নাকি বড়ো গলায় বল এসব !! আলেমগণতো তোমাদের মতিয়া-ইনুর মতো কোনোদিন মুজিববিরোধী কোনোদিন মুজিবপ্রেমী হয়ে স্বীয় আদর্শকে জলাঞ্জলি দেন নি . ! আলেমগণ মাথা দিয়েছেন তবু দেন নি আমামা । চরম কঠিন মুহূর্তেও দেশপ্রেমের পরম পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন এই আলেমরাই !! টিপাইমুখবাধ আন্দোলন যার জ্বলন্ত প্রমাণ । মোনাফেকি আর বাটপাড়ি এটা তোদেরই খাসলত । তাই খামুশ ! আর একটিও কটুক্তি করবে না !
আরে এরা হল ইসলামী ছিন্তাইবীদ যার নিজের খবর নাই হেও ইসলাম লইয়া মাতাব্বরী করে। এদেরকেই বলে 'আদার বেপারী জাহাজের খবর লয়'।
তুমি তোমার আদা লইয়া যা ইচ্ছা মনে করতে থাকো, তবে ইসলামরে তোমার বেপারীপট্টির আদা মনে কইরো না। ।বিনা দলীলে ও বিনা শর্তে পন্নী একজন ভণ্ড।আবার আসছ ইসলামকে হেফাজত করতে!!! এই সব নাস্তিক ল্যাপ্টিস্টদের ও তাদের দালালদেরকে ধরে পল্টন ময়দানে উক্তা কইরা পুইতা রাখা উচিত তাহলে সাধারন জনগণ ইসলামকে অবিকৃতি অবস্থায় পাবে ।
আর এই সব নাস্তিক-মুরতাদরা ক্ষমতার মসনদে বসে দাদাগুর দয়ায় ,>আশ্চর্য ব্যপার! আবার দেখি ব্যুট্ডে-স্যুটেড, চুজপ্যান্টি "খাড়ামুতোনী"রা দাদাগুর দয়ায় ইসলামে হক-বাতিল আর জান্নাত-জাহান্নামের ডিলারশীফ নিয়ে বসে আছে।
করুণা হয় তোমাদের জন্য। বেশী বুঝতে যাইয়া নেড়ি কুত্তার অনুসারীদেরকে অবশেষে "কেবলা বাবা" বানাও।
ধিক, শত ধিক এসব অপব্যখ্যাকারী "নেড়ীমুতুরা"দের। এরা চিন্তাবীদ নয়, বরং ইসলামী ছিনতাইবীদ। অতএব এদের গণপিটুনী দেওয়া দরকার।
রাজনীতি অঙ্গনে সে যেই হোক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য সবাই একটা নীতি অবলম্বন করে তা হল এক চোখা নীতি !হা ২/৩ দিন আগে দেখলাম প্রধানমন্ত্রী তিনিও হেফাজতের শাপলা চত্বরে শিশুদের নিয়ে কথা বলতে অথচ তিনি কি শাহবাগের গনজাগরন মঞ্চের শিশুদের কি দেখেন নাই ? না ঐ সব ফুটেজ দেখার সময় চোখ গুড়িয়ে নেন ?কোনো প্রধানমন্ত্রীই দলের বা বিশেষ কোনো মতের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে পারেন না। কারণ দলের পরিচয়ে নির্বাচিত হলেও শপথ গ্রহণের পর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। দলমত নির্বিশেষে দেশ-জাতি-জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই তার পবিত্র দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দলের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেননি। ফলে তার সরকার জনগণের সরকার না হয়ে দলের সরকারে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কথা ও কাজে এমন সঙ্কীর্ণতা অহরহই প্রকট হয়ে ওঠে।
এক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মসজিদ-মাদরাসায় নজরদারি বাড়াতে বলেছেন। কিছুদিন আগে শাপলা চত্বরে ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে আসার উল্লেখ করে এ ধরনের দুষ্ট কাজে মাদরাসার শিশুদের যাতে কেউ ব্যবহার করতে না পারে সে বিষয়টাও গুরুত্ব পেয়েছে তার বক্তব্যে। অথচ প্রায় একই সময়ে শাহবাগের কর্মসূচিতে বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেনের ও স্কুলের ছোট ছোট ছেলেমেয়ের স্কুল ড্রেস পরা অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে তাদের কচিমুখে ‘ফাঁসি চাই’ স্লোগানও শোনা গেছে। যা মিডিয়া ঢালাওভাবে প্রচারও করেছে। এসব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মুখে রা কাটেননি। কেন? দিনের পর দিন শিশুদের এমনভাবে ব্যবহার করা তিনি কীভাবে সমর্থন করেন? শুধু তাই নয়, শাহবাগের সসমর্থনে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরকার সমর্থকদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশগুলোতেও স্কুলের শিশু-কিশোরদের প্রাধান্য দেখা গেছে। স্কুল থেকে তাদের নিয়ে আসার বিশেষ ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এমনকি, ডিসি কার্যালয় থেকেও স্কুল কর্তৃপক্ষকে চাপ দেয়ার কথা তখন জানাজানি হয়েছে। কারণ সরকারদলীয় এমপি-ডিসিরাই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রধান। তাদের মতের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই স্কুল কর্তৃপক্ষের। তাই সে সময় দেশজুড়ে শাহবাগের সমর্থনে অনুষ্ঠিত সভা-সমাবেশ-মিছিল ব্যাপকভাবে স্কুলের শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলব আপনি মসজিদ-মাদরাসায় নজরদারি বাড়াবার কথা বলেছে্ন !!! অথচ দেশের সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজি- টেন্ডারবাজি-সন্ত্রাসের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে তা নিয়ে কিছুটি বলেননি। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অরাজক-বিশৃঙ্খল অবস্থার সচিত্র খবর পত্রপত্রিকায় ছাপা হলেও সেদিকে না তাকিয়ে তিনি মসজিদ-মাদরাসার ওপরই তার শ্যেন দৃষ্টি ফেলেছেন। শাহবাগের শিশুদের উপস্থিতি ভুলে গিয়ে শাপলা চত্বরের শিশুদের জন্য তার দরদ উথলে উঠেছে। এতই যদি দরদ তবে বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন করে রাতের আঁধারে সেই শিশুদের ওপরই সরকারি বাহিনীর সশস্ত্র সদস্যদের ঝাঁপিয়ে পড়া তিনি অনুমোদন করলেন কীভাবে?
সবার অধিকার সমানভাবে রক্ষা করাই গণতান্ত্রিক শাসনের পরিচয়। সব শিশুই এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে। কোনো বিষয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীর একচোখা ভূমিকা আর যাই হোক গণতান্ত্রিক বলা যাবে না, এটা নতুন করে না বললেও চলে।
পরিশেষে
বলতে চাই হেফাজতে ইসলাম সেই আলেমদের উত্তরসুরী যারা বৃটিশদের লেজুটবৃত্তি
করেনী? মাথা নত করেনী সাম্রাজ্যবাদের রক্ত চক্ষুর কাছে ? দেওবন্দের আলেমদের
রক্তস্রোত ধারার জিহাদি দ্রোহে উপমহাদেশ থেকে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছিল
উপনিবেশ বৃটিশ কোম্পানী। সেই দিনেও কিছু আলেমে চু হালুয়া রুটির জন্য
বৃটিশদের পদ লেহন করে তাদের স্নেহধন্য হতে ভুল করেনী? যেমনটি আজকের সময়ে
নাস্তিকদের সাথে গোপন আতাঁত করে,যামানার মুজাহিদে আজম , আল্লামা শাহআহম্মদ
শফি দাঃ বাঃ হাতে গড়া হেফাজতে ইসলামের বিপক্ষে অবস্হান নিয়ে ইসলাম অবমাননা ও
আল্লাহ রাসুলের কুটুক্তিকে জায়েজ করে যাচ্ছে । বড় দুঃখ্য হয় নাস্তিক ও
তাদের দোষর নামদারী আলেম নামক কুলাংগারদের জন্য । বৃটিশ আমলে মানুষ যাদের
ছিন্তে ভুল করেনী আর এখন শিক্ষিত যামানার মানুষগুলোকে তারা ফাঁকি দিতে চায় ।
যেনে রেখ ইসলাম প্রিয় তৈহিদী জনতা,ইসলাম হেফাজতের মিছিলের দ্রোহে তোমাদের
গোপন স্কিম ধুলিন্সাত্ করে দিবে ইনশা আল্লাহ